পাঠ ১ / ১১
বিশ্বগ্রাম
এই পাঠের ভিডিও ও ক্লাস রেকর্ডিং শিগগির যুক্ত হবে।
উদ্দীপক থেকে ধারণা চেনা
- ঘটনা: চরের এক শিক্ষার্থী মোবাইলে ঢাকার শিক্ষকের লাইভ ক্লাস করছে।
- দূরত্ব বাধা হয়নি, কারণ ইন্টারনেটে সে যুক্ত।
- সেবাটি ই-লার্নিং, আর ধারণাটি বিশ্বগ্রাম।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, বায়োমেট্রিক্স, ন্যানো, জেনেটিক ও AI

০/১১ পাঠ শেষ
পাঠ ১ / ১১
এই পাঠের ভিডিও ও ক্লাস রেকর্ডিং শিগগির যুক্ত হবে।
পাঁচটি উপাদান চালু করে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে বার্তা পাঠাও।
পাঁচটি উপাদান চালু করো (১/৫)
মার্শাল ম্যাকলুহান ধারণাটি জনপ্রিয় করেন। মূল কথা হলো, যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে পুরো পৃথিবী একটি গ্রামের মতো কাছাকাছি হয়ে গেছে। গ্রামে যেমন খবর দ্রুত ছড়ায়, এখন সারা বিশ্বে তেমনি ছড়ায়।
বিশ্বগ্রামের প্রাণ হলো কানেক্টিভিটি। এর সঙ্গে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা ও দক্ষ মানুষ, এই পাঁচটি উপাদান মিলেই ব্যবস্থাটি চলে।
সুবিধা অনেক: ঘরে বসে শিক্ষা, চিকিৎসা, কেনাকাটা ও কাজ। ঝুঁকিও আছে: গোপনীয়তা নষ্ট, সাইবার অপরাধ, ভুল তথ্য ও ডিজিটাল বিভাজন।
| উপাদান | উদাহরণ |
|---|---|
| হার্ডওয়্যার | কম্পিউটার, মোবাইল ফোন |
| সফটওয়্যার | ব্রাউজার, অ্যাপ |
| কানেক্টিভিটি | ইন্টারনেট, নেটওয়ার্ক |
| ডেটা | ছবি, লেখা, ভিডিও |
| মানুষের জ্ঞান | প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা |
খ প্রশ্নে কানেক্টিভিটি কেন মূল চালিকাশক্তি তা লিখতে প্রথমে সংজ্ঞা, পরে সংযোগের ভূমিকা লেখো।
ICT এখন প্রতিদিনের কাজে। ই-কমার্সে কেনাবেচা, ইএফটি ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানো, ই-টেন্ডারে দরপত্র, ই-গভর্নেন্সে সরকারি সেবা, সবই ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়।
ভিডিও কনফারেন্সিং দূরে থেকেও মুখোমুখি কথা বলার সুযোগ দেয়। এজন্য কম্পিউটার বা মোবাইল, ওয়েবক্যাম, ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার লাগে। টেলিকনফারেন্সিং টেলিফোনের মতো যোগাযোগেও চলে, ভিডিও জরুরি নয়।
স্মার্ট হোমে আলো, ফ্যান, এসি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি IoT এর উদাহরণ। আউটসোর্সিং হলো প্রতিষ্ঠানের কাজ বাইরের কাউকে দিয়ে করানো, আর GPS স্যাটেলাইটের সাহায্যে অবস্থান জানায়।
| সংক্ষেপ | পূর্ণরূপ |
|---|---|
| EFT | Electronic Fund Transfer |
| ATM | Automated Teller Machine |
| GPS | Global Positioning System |
| GSM | Global System for Mobile Communications |
| EHR | Electronic Health Record |
| CAD | Computer Aided Design |
এই অংশের জ্ঞানমূলক প্রশ্নে পূর্ণরূপ বেশি আসে। তথ্য কার্ড থেকে পূর্ণরূপগুলো ঝালিয়ে নাও।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি আসলে বাস্তব নয়, তবে বাস্তবের মতো অনুভূতি দেয়। কম্পিউটারে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশে ব্যবহারকারী দেখে, শোনে এবং সাড়া দেয়। এটি সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
ব্যবহারকারী হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে পরেন, হাতে ডেটা গ্লাভ থাকে, শরীরে সেন্সরযুক্ত স্যুট থাকতে পারে। দুই চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি তৈরি হয়। Vizard ও 3D Studio Max এর মতো সফটওয়্যার এই পরিবেশ বানায়।
এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঝুঁকি ছাড়া অনুশীলন। পাইলট, সৈনিক, চিকিৎসক ও চালকের প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, ব্যবসা ও ঐতিহাসিক স্থান দেখায় এটি কাজে লাগে। অতিরিক্ত ব্যবহারে বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যাওয়া ও স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে।
| ক্ষেত্র | কাজ |
|---|---|
| বিমান | ফ্লাইট সিমুলেটরে অবতরণ অনুশীলন |
| সামরিক | যুদ্ধের আবহে প্রশিক্ষণ |
| চিকিৎসা | রোগী ছাড়া সার্জারি অনুশীলন |
| শিক্ষা | জটিল বিষয় মডেল করে দেখানো |
| ব্যবসা | পণ্য বানানোর আগে নকশা যাচাই |
| ঐতিহ্য | প্রাচীন স্থান জাদুঘরে দেখানো |
এই অধ্যায়ের সবচেয়ে বেশি আসা টপিক এটি। গ অংশে সংজ্ঞা, যন্ত্র, সফটওয়্যার, ঘ অংশে ক্ষেত্রভিত্তিক ব্যবহার গুছিয়ে রাখো।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানে মানুষের চিন্তার ধরন যন্ত্রে নিয়ে আসা। জন ম্যাকার্থিকে এর জনক বলা হয়। পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারে এর ব্যবহার যুক্ত হয়েছে।
মেশিন লার্নিং ডেটা থেকে নিজে শেখে। এর তিন ধরন: সুপারভাইজড, আনসুপারভাইজড ও রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। রিইনফোর্সমেন্টে যন্ত্র বারবার ভুল করে সঠিকটা শেখে।
নিউরাল নেটওয়ার্ক মানুষের মস্তিষ্কের মতো কাজের চেষ্টা করে, এতে ইনপুট, লুকানো ও আউটপুট তিন স্তর থাকে। এক্সপার্ট সিস্টেম, ইমেজ প্রসেসিং, স্পিচ প্রসেসিং ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ি এর ব্যবহার।
| ক্ষেত্র | কাজ |
|---|---|
| মেশিন লার্নিং | ডেটা থেকে পূর্বাভাস |
| স্পিচ প্রসেসিং | কম্পিউটারকে কথা বলানো ও শোনানো |
| ইমেজ প্রসেসিং | ছবি চেনা ও বিশ্লেষণ |
| NLP | মানুষের ভাষা বোঝা |
| এক্সপার্ট সিস্টেম | বিশেষজ্ঞের মতো পরামর্শ |
লুকানো স্তর, নিউরাল নেট বা চিত্রের সার্কেল দেখলে উত্তর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
রোবটিক্স হলো রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনার শাখা। রোবট কম্পিউটার প্রোগ্রামে চলে এবং প্রসেসর একে নিয়ন্ত্রণ করে।
রোবটের মূল অংশ: প্রসেসিং ইউনিট, সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর ও পাওয়ার ইউনিট। অ্যাকচুয়েটর নির্দিষ্ট দিকে ঘোরানো যায় এমন মোটর। পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় হতে হলে মোবিলিটি, সেন্সিং ও বুদ্ধি লাগে।
বিপজ্জনক, ভারী ও সূক্ষ্ম কাজে রোবট কাজে লাগে। খনি, ডুবে যাওয়া জাহাজ, বোমা নিষ্ক্রিয়, কারখানা, সার্জারি ও মহাকাশ এর ক্ষেত্র। মঙ্গলে কিউরিওসিটি রোবট কাজ করছে। তবে এতে খরচ বেশি এবং শ্রমিকের কাজ কমতে পারে।
| সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|
| ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিরাপদে হয় | কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেশি |
| নির্ভুল ও দ্রুত উৎপাদন | নতুন পরিবেশে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না |
| বিরতি ছাড়া দীর্ঘ কাজ | শ্রমিকের বেকারত্ব বাড়াতে পারে |
ঘ প্রশ্নে কারখানার রোবট এলে উৎপাদন বাড়ে কিন্তু শ্রমিক কমে, দুই দিকই লেখো।
ক্রায়োসার্জারিতে অতি শীতল তাপমাত্রায় অস্বাভাবিক টিস্যু নষ্ট করা হয়। মূলত −৪১°C থেকে −১৯৬°C তাপমাত্রায় কাজটি হয়, তখন কোষে রক্ত ও অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায়।
কাজের ধারা: সিমুলেটেড সফটওয়্যারে অবস্থান ও সীমানা ঠিক করা হয়, ক্যামেরাযুক্ত নল দিয়ে স্থান দেখা হয়, তারপর সরু ক্রায়োপ্রোব দিয়ে ক্রায়োজেনিক গ্যাস প্রয়োগ করা হয়।
ক্রায়োজেনিক এজেন্ট হলো তরল নাইট্রোজেন, আর্গন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, প্রোপেন ও ডাই মিথাইল ইথার। কাটাছেঁড়া নেই, রক্তপাত নেই বললেই চলে, তাই আঁচিল, ত্বকের রোগ ও কিছু ক্যান্সারে এটি ব্যবহৃত হয়।
| বিষয় | সাধারণ | ক্রায়োসার্জারি |
|---|---|---|
| কাটাছেঁড়া | বেশি | প্রায় নেই |
| রক্তপাত | হতে পারে | প্রায় নেই |
| সেরে ওঠা | সময় লাগে | দ্রুত |
| হাসপাতালে থাকা | বেশি দিন | কম বা দরকার নেই |
উদ্দীপকে রক্তপাতহীন বা নিম্ন তাপমাত্রার চিকিৎসা দেখলেই ক্রায়োসার্জারি। গ অংশে ধাপগুলো ক্রমে লেখো।
গ্রিক bio ও metric শব্দ থেকে বায়োমেট্রিক্স। শরীরের গঠন বা আচরণের বৈশিষ্ট্য মেপে মানুষকে অনন্যভাবে শনাক্ত করা হয়। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া যায়, কিন্তু আঙুল সঙ্গেই থাকে।
ধাপ চারটি: ক্যাপচার, এক্সট্র্যাকশন, কম্পারিজন ও ম্যাচিং। প্রথমে নমুনা নেওয়া হয়, পরে ডেটাবেসে থাকা তথ্যের সঙ্গে মেলানো হয়। মিললে প্রবেশের অনুমতি মেলে।
শরীরবৃত্তীয় পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপ, হাতের গঠন, আইরিস, মুখমণ্ডল ও DNA আসে। আচরণগত পদ্ধতিতে স্বাক্ষর, কণ্ঠস্বর ও টাইপিং কী-স্ট্রোক আসে। সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও জনপ্রিয় আঙুলের ছাপ, সবচেয়ে নির্ভুল ধরা হয় DNA।
| শরীরবৃত্তীয় | আচরণগত |
|---|---|
| আঙুলের ছাপ | স্বাক্ষর |
| হাতের গঠন | কণ্ঠস্বর |
| আইরিস | টাইপিং কী-স্ট্রোক |
| মুখমণ্ডল | — |
| DNA | — |
ঘ অংশে দুই পদ্ধতির তুলনা আসে। নির্ভুলতা, খরচ ও ব্যবহারের সহজতা তিন দিকে তুলনা করো।
জীববিজ্ঞানের বিশাল তথ্য কম্পিউটার ছাড়া সামলানো যায় না। তাই জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যান মিলে বায়োইনফরমেটিক্স এসেছে। এটি আন্তঃশাস্ত্রীয় বিজ্ঞান।
এর উপাদান চারটি: আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন, ডেটাবেস, প্রোগ্রাম এবং গণিত ও পরিসংখ্যান। মূল ডেটা হলো জিনোম, প্রোটিন, জিন এক্সপ্রেশন ও মেটাবলিক পাথওয়ে ডেটা।
ডিএনএ ম্যাপিং, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিন সিকোয়েন্স, মলিকুলার মেডিসিন ও জিনোম ডেটাবেস তৈরিতে এটি কাজে লাগে। ড. মাকসুদুল আলমের পাটের জিন রহস্য উন্মোচন এর উদাহরণ। ল্যাবের বদলে কম্পিউটারে গবেষণাকে ড্রাই ল্যাব বলে।
| বিষয় | বায়োমেট্রিক্স | বায়োইনফরমেটিক্স |
|---|---|---|
| কাজ | মানুষ শনাক্ত | জীবতথ্য বিশ্লেষণ |
| উদাহরণ | আঙুলের ছাপ | জিনোম সিকোয়েন্স |
| ব্যবহার | নিরাপত্তা | গবেষণা ও ওষুধ |
| খরচ | তুলনামূলক কম | তুলনামূলক বেশি |
ঘ অংশে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োইনফরমেটিক্স পরিপূরক কি না আসে। একটি জিন খুঁজে দেয়, অন্যটি জিন বসায়।
কোনো জীবের নির্দিষ্ট জিন আলাদা করে অন্য জীবে বসানোর কৌশলই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। জিন বৈশিষ্ট্য বহন করে, তাই জিন বদলালে বৈশিষ্ট্য বদলায়। জ্যাক উইলিয়ামসন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
নতুন জোড়া লাগানো DNA কে রিকম্বিনেন্ট DNA বলে। এমন জিনসমৃদ্ধ জীব হলো GMO। মানবদেহের ইনসুলিন E. coli ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে তৈরি করা যায়।
উচ্চফলনশীল ধান ও তুলা, রোগ প্রতিরোধী ফসল, বড় মাছ, হরমোন, টিকা ও জিন থেরাপিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ঝুঁকিও আছে: জীববৈচিত্র্য বদলে যেতে পারে, ক্ষতিকর ভাইরাস তৈরি হতে পারে, দেশীয় জাত হারাতে পারে।
| ক্ষেত্র | উদাহরণ |
|---|---|
| কৃষি | উচ্চফলনশীল ও লবণসহিষ্ণু ধান |
| প্রাণী | বড় আকারের কার্প মাছ, বেশি দুধ |
| চিকিৎসা | ইনসুলিন, টিকা, জিন থেরাপি |
| গবেষণা | নতুন জীবকোষ সৃষ্টি |
ঘ অংশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও ওষুধ তৈরি বেশি আসে। উদাহরণসহ দুই ভাগে লেখো।
ন্যানোটেকনোলজি হলো ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার মাপে কাজ করার বিজ্ঞান। ১ ন্যানোমিটার = 10-9 মিটার। রিচার্ড ফাইনম্যান ধারণাটি প্রথম দেন, তাই তাঁকে এর জনক বলা হয়।
দুটি পদ্ধতি আছে। টপ ডাউনে বড় জিনিস কেটে ছোট করা হয়, যেমন সিলিকন ওয়েফার থেকে চিপ। বটম আপে ছোট কণা জোড়া লাগিয়ে বড় জিনিস বানানো হয়।
খাদ্য প্যাকেজিং, প্রসাধনী, স্মার্ট ড্রাগ, হালকা গাড়ি, শক্ত খেলার সামগ্রী, ব্যাটারি ও ট্যানারির বর্জ্য পরিশোধনে এটি কাজে লাগে। পণ্য ছোট, হালকা, মজবুত ও টেকসই হয়। তবে খরচ বেশি এবং কিছু ন্যানো কণা ফুসফুস ও মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
| ক্ষেত্র | উদাহরণ |
|---|---|
| খাদ্য | প্যাকেজিং ও স্বাদ বৃদ্ধি |
| চিকিৎসা | স্মার্ট ড্রাগ, ন্যানো রোবট |
| প্রসাধনী | সানস্ক্রিন, ক্রিম |
| খেলাধুলা | টেনিস বল, গলফ বল |
| পরিবেশ | ট্যানারি বর্জ্য পরিশোধন |
| কম্পিউটার | ছোট চিপ, বেশি গতি |
খ প্রশ্নে ছোট জিনিস দিয়ে বড় জিনিস বা আগামী বিশ্ব ন্যানোর বিশ্ব, এই দুটি বাক্য বারবার আসে।
প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় ভালো-মন্দ মেনে চলাই নৈতিকতা। কম্পিউটার ইথিকস ইনস্টিটিউট ১৯৯২ সালে কম্পিউটার ব্যবহারের দশটি নির্দেশনা দেয়, যেমন অন্যের ক্ষতি না করা ও অনুমতি ছাড়া ফাইলে না ঢোকা।
অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে ঢোকা হ্যাকিং। ভুয়া বার্তায় তথ্য নেওয়া ফিশিং। অপ্রয়োজনীয় বার্তা পাঠানো স্প্যামিং। অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি করা পাইরেসি। অন্যের লেখা নিজের নামে দেওয়া প্লেজিয়ারিজম।
বাংলাদেশে ডিজিটাল অপরাধ দমনে ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হয়। ভালো নাগরিক তথ্যের উৎস উল্লেখ করেন, বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন এবং অন্যের গোপনীয়তা রক্ষা করেন।
| ঘটনা | নাম |
|---|---|
| ব্যাংকের নামে ভুয়া ইমেইল | ফিশিং |
| উৎস ছাড়া অ্যাসাইনমেন্ট কপি | প্লেজিয়ারিজম |
| ক্র্যাক করা সফটওয়্যার বিক্রি | পাইরেসি |
| বিজ্ঞাপনের হাজার ইমেইল | স্প্যামিং |
গ প্রশ্নে অপরাধের নাম বলে সংজ্ঞা দাও, উদ্দীপকের ঘটনা মিলিয়ে দেখাও।