তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, বায়োমেট্রিক্স, ন্যানো, জেনেটিক ও AI

০%

০/১১ পাঠ শেষ

পাঠ

বিশ্বগ্রাম

পাঠ ১ / ১১

বিশ্বগ্রাম

প্রযুক্তিতে পুরো পৃথিবী যেন এক গ্রাম।

  • প্রবর্তক মার্শাল ম্যাকলুহান।
  • মূল চালিকাশক্তি কানেক্টিভিটি।
  • উপাদান পাঁচটি: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, সংযোগ, ডেটা ও মানুষের জ্ঞান।

এই পাঠের ভিডিও ও ক্লাস রেকর্ডিং শিগগির যুক্ত হবে।

উদ্দীপক থেকে ধারণা চেনা

  1. ঘটনা: চরের এক শিক্ষার্থী মোবাইলে ঢাকার শিক্ষকের লাইভ ক্লাস করছে।
  2. দূরত্ব বাধা হয়নি, কারণ ইন্টারনেটে সে যুক্ত।
  3. সেবাটি ই-লার্নিং, আর ধারণাটি বিশ্বগ্রাম।

ইন্টারঅ্যাকটিভ ল্যাব

বিশ্বগ্রাম

পাঁচটি উপাদান চালু করে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে বার্তা পাঠাও।

পাঁচটি উপাদান চালু করো (১/৫)

চ্যাপ্টার নোট

  • প্রবর্তক মার্শাল ম্যাকলুহান।
  • মূল চালিকাশক্তি কানেক্টিভিটি।
  • উপাদান পাঁচটি: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, সংযোগ, ডেটা ও মানুষের জ্ঞান।

উদাহরণ

উদ্দীপক থেকে ধারণা চেনা

  1. ঘটনা: চরের এক শিক্ষার্থী মোবাইলে ঢাকার শিক্ষকের লাইভ ক্লাস করছে।
  2. দূরত্ব বাধা হয়নি, কারণ ইন্টারনেটে সে যুক্ত।
  3. সেবাটি ই-লার্নিং, আর ধারণাটি বিশ্বগ্রাম।

বিস্তারিত

মার্শাল ম্যাকলুহান ধারণাটি জনপ্রিয় করেন। মূল কথা হলো, যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে পুরো পৃথিবী একটি গ্রামের মতো কাছাকাছি হয়ে গেছে। গ্রামে যেমন খবর দ্রুত ছড়ায়, এখন সারা বিশ্বে তেমনি ছড়ায়।

বিশ্বগ্রামের প্রাণ হলো কানেক্টিভিটি। এর সঙ্গে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা ও দক্ষ মানুষ, এই পাঁচটি উপাদান মিলেই ব্যবস্থাটি চলে।

সুবিধা অনেক: ঘরে বসে শিক্ষা, চিকিৎসা, কেনাকাটা ও কাজ। ঝুঁকিও আছে: গোপনীয়তা নষ্ট, সাইবার অপরাধ, ভুল তথ্য ও ডিজিটাল বিভাজন।

শব্দ

কানেক্টিভিটি
নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত থাকা, বিশ্বগ্রামের মূল চালিকাশক্তি।
ই-লার্নিং
প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্লাসের বাইরে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় শেখা।
টেলিমেডিসিন
ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দূর থেকে চিকিৎসা সেবা।
ডিজিটাল বিভাজন
প্রযুক্তি পাওয়া ও না পাওয়া মানুষের ব্যবধান।

টেবিল

বিশ্বগ্রামের পাঁচ উপাদান

উপাদানউদাহরণ
হার্ডওয়্যারকম্পিউটার, মোবাইল ফোন
সফটওয়্যারব্রাউজার, অ্যাপ
কানেক্টিভিটিইন্টারনেট, নেটওয়ার্ক
ডেটাছবি, লেখা, ভিডিও
মানুষের জ্ঞানপ্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা

ভুল

  • গ্লোবাল ভিলেজের প্রবর্তক ম্যাকলুহান, জন ম্যাকার্থি নন। ম্যাকার্থি AI এর জনক।
  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান জানতে চাইলে কানেক্টিভিটি বা ইন্টারনেট বেছে নাও।

টিপস

খ প্রশ্নে কানেক্টিভিটি কেন মূল চালিকাশক্তি তা লিখতে প্রথমে সংজ্ঞা, পরে সংযোগের ভূমিকা লেখো।

  • ই-কমার্সে অনলাইনে কেনাবেচা হয়।
  • স্মার্ট হোম দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
  • GPS স্যাটেলাইটে অবস্থান জানায়।

উদাহরণ

প্রযুক্তি মেলাও

  1. ফোনে ড্রয়িং রুমের লাইট বন্ধ করা: স্মার্ট হোম।
  2. অনলাইনে শাড়ি বিক্রি করা: ই-কমার্স।
  3. জুমে অফিস মিটিং করা: ভিডিও কনফারেন্সিং।
  4. ঘরে বসে বিদেশি ক্লায়েন্টের লোগো বানানো: আউটসোর্সিং।

বিস্তারিত

ICT এখন প্রতিদিনের কাজে। ই-কমার্সে কেনাবেচা, ইএফটি ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানো, ই-টেন্ডারে দরপত্র, ই-গভর্নেন্সে সরকারি সেবা, সবই ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়।

ভিডিও কনফারেন্সিং দূরে থেকেও মুখোমুখি কথা বলার সুযোগ দেয়। এজন্য কম্পিউটার বা মোবাইল, ওয়েবক্যাম, ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার লাগে। টেলিকনফারেন্সিং টেলিফোনের মতো যোগাযোগেও চলে, ভিডিও জরুরি নয়।

স্মার্ট হোমে আলো, ফ্যান, এসি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি IoT এর উদাহরণ। আউটসোর্সিং হলো প্রতিষ্ঠানের কাজ বাইরের কাউকে দিয়ে করানো, আর GPS স্যাটেলাইটের সাহায্যে অবস্থান জানায়।

শব্দ

ই-কমার্স
ইন্টারনেটে পণ্য ও সেবার কেনাবেচা ও লেনদেন।
আউটসোর্সিং
ইন্টারনেটে বাইরের প্রতিষ্ঠানের কাজ করে দেওয়া।
স্মার্ট হোম
প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংক্রিয় বাড়ি।
GPS
Global Positioning System, স্যাটেলাইটে অবস্থান নির্ণয়।
IoT
Internet of Things, যন্ত্র ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কাজ করে।

টেবিল

জরুরি পূর্ণরূপ

সংক্ষেপপূর্ণরূপ
EFTElectronic Fund Transfer
ATMAutomated Teller Machine
GPSGlobal Positioning System
GSMGlobal System for Mobile Communications
EHRElectronic Health Record
CADComputer Aided Design

ভুল

  • ই-কমার্স ও ই-গভর্নেন্স আলাদা। একটি ব্যবসা, অন্যটি সরকারি সেবা।
  • টেলিকনফারেন্সিং ও ভিডিও কনফারেন্সিং এক নয়। ভিডিওতে ছবি দেখা যায়।

টিপস

এই অংশের জ্ঞানমূলক প্রশ্নে পূর্ণরূপ বেশি আসে। তথ্য কার্ড থেকে পূর্ণরূপগুলো ঝালিয়ে নাও।

  • সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
  • HMD ও ডেটা গ্লাভ ব্যবহৃত হয়।
  • ঝুঁকি ছাড়া প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।

উদাহরণ

উদ্দীপক চেনার ধাপ

  1. ঘটনা: নতুন ডাক্তার রোগী ছাড়াই কম্পিউটারে অস্ত্রোপচার শিখছেন।
  2. কৃত্রিম পরিবেশ আছে, আসল রোগী নেই।
  3. ভুল হলেও ক্ষতি নেই, তাই ঝুঁকিমুক্ত।
  4. প্রযুক্তিটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।

বিস্তারিত

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি আসলে বাস্তব নয়, তবে বাস্তবের মতো অনুভূতি দেয়। কম্পিউটারে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশে ব্যবহারকারী দেখে, শোনে এবং সাড়া দেয়। এটি সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

ব্যবহারকারী হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে পরেন, হাতে ডেটা গ্লাভ থাকে, শরীরে সেন্সরযুক্ত স্যুট থাকতে পারে। দুই চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি তৈরি হয়। Vizard ও 3D Studio Max এর মতো সফটওয়্যার এই পরিবেশ বানায়।

এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঝুঁকি ছাড়া অনুশীলন। পাইলট, সৈনিক, চিকিৎসক ও চালকের প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, ব্যবসা ও ঐতিহাসিক স্থান দেখায় এটি কাজে লাগে। অতিরিক্ত ব্যবহারে বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যাওয়া ও স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে।

শব্দ

সিমুলেশন
বাস্তবের আগে কম্পিউটারে কাজটি অনুকরণ করে দেখা।
HMD
Head Mounted Display, মাথায় পরার বিশেষ চশমা বা হেলমেট।
ফ্লাইট সিমুলেটর
পাইলট প্রশিক্ষণের ভার্চুয়াল ব্যবস্থা।
টেলিপ্রেজেন্স
দূরের কাজ শক্তিশালী গ্রাফিক্স কম্পিউটারে পরিচালনা।
অগমেন্টেড রিয়েলিটি
বাস্তব দৃশ্যের ওপর ডিজিটাল ছবি বসানো।

টেবিল

ব্যবহারের ক্ষেত্র

ক্ষেত্রকাজ
বিমানফ্লাইট সিমুলেটরে অবতরণ অনুশীলন
সামরিকযুদ্ধের আবহে প্রশিক্ষণ
চিকিৎসারোগী ছাড়া সার্জারি অনুশীলন
শিক্ষাজটিল বিষয় মডেল করে দেখানো
ব্যবসাপণ্য বানানোর আগে নকশা যাচাই
ঐতিহ্যপ্রাচীন স্থান জাদুঘরে দেখানো

ভুল

  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে পুরো পরিবেশ কৃত্রিম, অগমেন্টেড রিয়েলিটিতে বাস্তবের ওপর ছবি বসে।
  • রোবট দিয়ে প্রশিক্ষণ হলে রোবটিক্স, সিমুলেশনে হলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।
  • ঘ অংশে শুধু সুবিধা নয়, কুফলও লিখতে হয়।

টিপস

এই অধ্যায়ের সবচেয়ে বেশি আসা টপিক এটি। গ অংশে সংজ্ঞা, যন্ত্র, সফটওয়্যার, ঘ অংশে ক্ষেত্রভিত্তিক ব্যবহার গুছিয়ে রাখো।

  • জনক জন ম্যাকার্থি।
  • নিউরাল নেটে তিন স্তর থাকে।
  • মেশিন লার্নিং ডেটা থেকে শেখে।

উদাহরণ

রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং কীভাবে শেখে

  1. যন্ত্র একটি চাল দেয়।
  2. ভুল হলে নেতিবাচক ফল পায়।
  3. ঠিক হলে ইতিবাচক ফল পায়।
  4. বারবার করে সে ভালো পথটি শিখে নেয়।

বিস্তারিত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানে মানুষের চিন্তার ধরন যন্ত্রে নিয়ে আসা। জন ম্যাকার্থিকে এর জনক বলা হয়। পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারে এর ব্যবহার যুক্ত হয়েছে।

মেশিন লার্নিং ডেটা থেকে নিজে শেখে। এর তিন ধরন: সুপারভাইজড, আনসুপারভাইজড ও রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। রিইনফোর্সমেন্টে যন্ত্র বারবার ভুল করে সঠিকটা শেখে।

নিউরাল নেটওয়ার্ক মানুষের মস্তিষ্কের মতো কাজের চেষ্টা করে, এতে ইনপুট, লুকানো ও আউটপুট তিন স্তর থাকে। এক্সপার্ট সিস্টেম, ইমেজ প্রসেসিং, স্পিচ প্রসেসিং ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ি এর ব্যবহার।

শব্দ

মেশিন লার্নিং
ডেটা থেকে নিজে শেখার AI শাখা, সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র।
নিউরাল নেট
মস্তিষ্কের অনুকরণে তিন স্তরের ব্যবস্থা।
এক্সপার্ট সিস্টেম
বিশেষজ্ঞের জ্ঞান দিয়ে সমাধান দেওয়া সফটওয়্যার।
ডিপ লার্নিং
মস্তিষ্ক অনুপ্রাণিত পদ্ধতিতে ডেটা প্রক্রিয়া শেখানো।

টেবিল

AI এর ক্ষেত্র

ক্ষেত্রকাজ
মেশিন লার্নিংডেটা থেকে পূর্বাভাস
স্পিচ প্রসেসিংকম্পিউটারকে কথা বলানো ও শোনানো
ইমেজ প্রসেসিংছবি চেনা ও বিশ্লেষণ
NLPমানুষের ভাষা বোঝা
এক্সপার্ট সিস্টেমবিশেষজ্ঞের মতো পরামর্শ

ভুল

  • AI এর ভাষা LISP, PROLOG ও Python। HTML, CSS বা SQL নয়।
  • রোবট শরীর, AI মস্তিষ্ক। সব রোবটে AI থাকে না।

টিপস

লুকানো স্তর, নিউরাল নেট বা চিত্রের সার্কেল দেখলে উত্তর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

  • মস্তিষ্ক হলো প্রসেসর।
  • অ্যাকচুয়েটর নড়াচড়া তৈরি করে।
  • ঝুঁকিপূর্ণ কাজে সবচেয়ে উপযোগী।

উদাহরণ

রোবট কীভাবে কাজ করে

  1. সেন্সর বাধা বা তাপের তথ্য ধরে।
  2. প্রসেসর প্রোগ্রাম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়।
  3. অ্যাকচুয়েটর নড়াচড়া করে কাজটি করে।

বিস্তারিত

রোবটিক্স হলো রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনার শাখা। রোবট কম্পিউটার প্রোগ্রামে চলে এবং প্রসেসর একে নিয়ন্ত্রণ করে।

রোবটের মূল অংশ: প্রসেসিং ইউনিট, সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর ও পাওয়ার ইউনিট। অ্যাকচুয়েটর নির্দিষ্ট দিকে ঘোরানো যায় এমন মোটর। পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় হতে হলে মোবিলিটি, সেন্সিং ও বুদ্ধি লাগে।

বিপজ্জনক, ভারী ও সূক্ষ্ম কাজে রোবট কাজে লাগে। খনি, ডুবে যাওয়া জাহাজ, বোমা নিষ্ক্রিয়, কারখানা, সার্জারি ও মহাকাশ এর ক্ষেত্র। মঙ্গলে কিউরিওসিটি রোবট কাজ করছে। তবে এতে খরচ বেশি এবং শ্রমিকের কাজ কমতে পারে।

শব্দ

অ্যাকচুয়েটর
রোবটের নড়াচড়া তৈরি করে এমন মোটর।
সেন্সর
আলো, দূরত্ব বা তাপের তথ্য ধরে।
প্রসেসর
রোবটের মস্তিষ্ক, প্রোগ্রাম চালায়।
অটোনোমাস রোবট
মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কাজ করে এমন রোবট।

টেবিল

সুবিধা ও অসুবিধা

সুবিধাঅসুবিধা
ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিরাপদে হয়কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেশি
নির্ভুল ও দ্রুত উৎপাদননতুন পরিবেশে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না
বিরতি ছাড়া দীর্ঘ কাজশ্রমিকের বেকারত্ব বাড়াতে পারে

ভুল

  • রোবট নিয়ন্ত্রণ করে প্রসেসর, শুধু মোটর নয়।
  • রোবট চিকিৎসাতেও ব্যবহৃত হয়। উদ্দীপকে জটিল সার্জারির কথা থাকলে এটি ভাবো।

টিপস

ঘ প্রশ্নে কারখানার রোবট এলে উৎপাদন বাড়ে কিন্তু শ্রমিক কমে, দুই দিকই লেখো।

  • তাপমাত্রা −৪১°C থেকে −১৯৬°C।
  • ক্রায়োপ্রোব দিয়ে গ্যাস দেওয়া হয়।
  • রক্তপাত ও কাটাছেঁড়া প্রায় নেই।

উদাহরণ

চিকিৎসার ধাপ

  1. সিমুলেটেড সফটওয়্যারে ক্ষতের সীমানা ঠিক করা হয়।
  2. ক্যামেরাযুক্ত নল দিয়ে স্থান দেখা হয়।
  3. ক্রায়োপ্রোব দিয়ে গ্যাস দেওয়া হয়।
  4. তাপমাত্রা কমে রক্ত ও অক্সিজেন বন্ধ হয়।
  5. অস্বাভাবিক টিস্যু নষ্ট হয়।

বিস্তারিত

ক্রায়োসার্জারিতে অতি শীতল তাপমাত্রায় অস্বাভাবিক টিস্যু নষ্ট করা হয়। মূলত −৪১°C থেকে −১৯৬°C তাপমাত্রায় কাজটি হয়, তখন কোষে রক্ত ও অক্সিজেন বন্ধ হয়ে যায়।

কাজের ধারা: সিমুলেটেড সফটওয়্যারে অবস্থান ও সীমানা ঠিক করা হয়, ক্যামেরাযুক্ত নল দিয়ে স্থান দেখা হয়, তারপর সরু ক্রায়োপ্রোব দিয়ে ক্রায়োজেনিক গ্যাস প্রয়োগ করা হয়।

ক্রায়োজেনিক এজেন্ট হলো তরল নাইট্রোজেন, আর্গন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, প্রোপেন ও ডাই মিথাইল ইথার। কাটাছেঁড়া নেই, রক্তপাত নেই বললেই চলে, তাই আঁচিল, ত্বকের রোগ ও কিছু ক্যান্সারে এটি ব্যবহৃত হয়।

শব্দ

ক্রায়োপ্রোব
গ্যাস প্রয়োগের সরু নল।
ক্রায়োজেনিক এজেন্ট
শীতলতার জন্য ব্যবহৃত তরল গ্যাস।
তরল নাইট্রোজেন
সবচেয়ে পরিচিত এজেন্ট।
সিমুলেটেড সফটওয়্যার
আক্রান্ত স্থানের সীমানা ঠিক করে।

টেবিল

সাধারণ অস্ত্রোপচার বনাম ক্রায়োসার্জারি

বিষয়সাধারণক্রায়োসার্জারি
কাটাছেঁড়াবেশিপ্রায় নেই
রক্তপাতহতে পারেপ্রায় নেই
সেরে ওঠাসময় লাগেদ্রুত
হাসপাতালে থাকাবেশি দিনকম বা দরকার নেই

ভুল

  • হিলিয়াম ও কার্বন মনো অক্সাইড ক্রায়োজেনিক এজেন্ট হিসেবে ধরা হয় না।
  • ক্রায়োপ্রোব নল, ক্রায়োজেনিক এজেন্ট গ্যাস। দুটি আলাদা।

টিপস

উদ্দীপকে রক্তপাতহীন বা নিম্ন তাপমাত্রার চিকিৎসা দেখলেই ক্রায়োসার্জারি। গ অংশে ধাপগুলো ক্রমে লেখো।

  • শরীরবৃত্তীয়: আঙুল, হাত, চোখ, মুখ, DNA।
  • আচরণগত: স্বাক্ষর, কণ্ঠস্বর, কী-স্ট্রোক।
  • ধাপ: ক্যাপচার, এক্সট্র্যাকশন, কম্পারিজন, ম্যাচিং।

উদাহরণ

দরজা কীভাবে খোলে

  1. ব্যবহারকারী আঙুল রাখেন: ক্যাপচার।
  2. ছবি থেকে বৈশিষ্ট্য নেওয়া হয়: এক্সট্র্যাকশন।
  3. ডেটাবেসের তথ্যের সঙ্গে তুলনা হয়: কম্পারিজন।
  4. মিললে দরজা খোলে: ম্যাচিং।

বিস্তারিত

গ্রিক bio ও metric শব্দ থেকে বায়োমেট্রিক্স। শরীরের গঠন বা আচরণের বৈশিষ্ট্য মেপে মানুষকে অনন্যভাবে শনাক্ত করা হয়। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া যায়, কিন্তু আঙুল সঙ্গেই থাকে।

ধাপ চারটি: ক্যাপচার, এক্সট্র্যাকশন, কম্পারিজন ও ম্যাচিং। প্রথমে নমুনা নেওয়া হয়, পরে ডেটাবেসে থাকা তথ্যের সঙ্গে মেলানো হয়। মিললে প্রবেশের অনুমতি মেলে।

শরীরবৃত্তীয় পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপ, হাতের গঠন, আইরিস, মুখমণ্ডল ও DNA আসে। আচরণগত পদ্ধতিতে স্বাক্ষর, কণ্ঠস্বর ও টাইপিং কী-স্ট্রোক আসে। সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও জনপ্রিয় আঙুলের ছাপ, সবচেয়ে নির্ভুল ধরা হয় DNA।

শব্দ

আইরিস স্ক্যান
চোখের রঙিন অংশ দিয়ে শনাক্তকরণ।
হ্যান্ড জিওমেট্রি
হাতের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মেপে শনাক্তকরণ।
ফেস রিকগনিশন
মুখের জ্যামিতিক গঠন মেপে শনাক্তকরণ।
DNA টেস্ট
রক্ত, চুল বা লালা থেকে শনাক্তকরণ।
কি-স্ট্রোক
টাইপ করার ধরন দিয়ে শনাক্তকরণ।

টেবিল

পদ্ধতির ভাগ

শরীরবৃত্তীয়আচরণগত
আঙুলের ছাপস্বাক্ষর
হাতের গঠনকণ্ঠস্বর
আইরিসটাইপিং কী-স্ট্রোক
মুখমণ্ডল—
DNA—

ভুল

  • আঙুল ব্যবহার হলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, পুরো হাত ব্যবহার হলে হ্যান্ড জিওমেট্রি।
  • স্বাক্ষর ও কণ্ঠস্বর আচরণগত, আঙুলের ছাপ নয়।
  • দুর্ঘটনায় বিকৃত দেহ শনাক্তে DNA টেস্ট ব্যবহৃত হয়।

টিপস

ঘ অংশে দুই পদ্ধতির তুলনা আসে। নির্ভুলতা, খরচ ও ব্যবহারের সহজতা তিন দিকে তুলনা করো।

  • এটি আন্তঃশাস্ত্রীয় বিজ্ঞান।
  • কাজ হয় জিনোম ও প্রোটিন ডেটা নিয়ে।
  • কম্পিউটারের গবেষণাকে ড্রাই ল্যাব বলে।

উদাহরণ

জিনোম গবেষণার ধাপ

  1. নমুনা থেকে DNA ক্রম জানা হয়।
  2. ডেটা বিশাল ডেটাবেসে রাখা হয়।
  3. অ্যালগরিদম দিয়ে উপযুক্ত জিন খোঁজা হয়।
  4. ফল থেকে ওষুধ বা নতুন জাতের গবেষণা হয়।

বিস্তারিত

জীববিজ্ঞানের বিশাল তথ্য কম্পিউটার ছাড়া সামলানো যায় না। তাই জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যান মিলে বায়োইনফরমেটিক্স এসেছে। এটি আন্তঃশাস্ত্রীয় বিজ্ঞান।

এর উপাদান চারটি: আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন, ডেটাবেস, প্রোগ্রাম এবং গণিত ও পরিসংখ্যান। মূল ডেটা হলো জিনোম, প্রোটিন, জিন এক্সপ্রেশন ও মেটাবলিক পাথওয়ে ডেটা।

ডিএনএ ম্যাপিং, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিন সিকোয়েন্স, মলিকুলার মেডিসিন ও জিনোম ডেটাবেস তৈরিতে এটি কাজে লাগে। ড. মাকসুদুল আলমের পাটের জিন রহস্য উন্মোচন এর উদাহরণ। ল্যাবের বদলে কম্পিউটারে গবেষণাকে ড্রাই ল্যাব বলে।

শব্দ

ড্রাই ল্যাব
রাসায়নিক ছাড়া কম্পিউটারে জীবতথ্য নিয়ে গবেষণা।
জিনোম
কোনো জীবের সম্পূর্ণ DNA বিন্যাস।
জিন ফাইন্ডিং
জিনোমে জিনের অবস্থান খোঁজা।
মলিকুলার মেডিসিন
আণবিক তথ্য ব্যবহার করে চিকিৎসা গবেষণা।

টেবিল

বায়োমেট্রিক্স বনাম বায়োইনফরমেটিক্স

বিষয়বায়োমেট্রিক্সবায়োইনফরমেটিক্স
কাজমানুষ শনাক্তজীবতথ্য বিশ্লেষণ
উদাহরণআঙুলের ছাপজিনোম সিকোয়েন্স
ব্যবহারনিরাপত্তাগবেষণা ও ওষুধ
খরচতুলনামূলক কমতুলনামূলক বেশি

ভুল

  • রসায়ন বায়োইনফরমেটিক্সের উপাদান হিসেবে ধরা হয় না।
  • বায়োইনফরমেটিক্স তথ্য বিশ্লেষণ করে, জিন বদলায় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

টিপস

ঘ অংশে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োইনফরমেটিক্স পরিপূরক কি না আসে। একটি জিন খুঁজে দেয়, অন্যটি জিন বসায়।

  • নতুন DNA কে রিকম্বিনেন্ট DNA বলে।
  • E. coli দিয়ে ইনসুলিন তৈরি হয়।
  • কৃষি ও চিকিৎসায় ব্যাপক ব্যবহার।

উদাহরণ

জিন স্থানান্তরের ধাপ

  1. কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের জিন বেছে নেওয়া হয়।
  2. DNA থেকে জিনটি কেটে আলাদা করা হয়।
  3. অন্য জীবের DNA তে বসানো হয়।
  4. রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি হয়।
  5. নতুন বৈশিষ্ট্যের জীব পাওয়া যায়।

বিস্তারিত

কোনো জীবের নির্দিষ্ট জিন আলাদা করে অন্য জীবে বসানোর কৌশলই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। জিন বৈশিষ্ট্য বহন করে, তাই জিন বদলালে বৈশিষ্ট্য বদলায়। জ্যাক উইলিয়ামসন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।

নতুন জোড়া লাগানো DNA কে রিকম্বিনেন্ট DNA বলে। এমন জিনসমৃদ্ধ জীব হলো GMO। মানবদেহের ইনসুলিন E. coli ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে তৈরি করা যায়।

উচ্চফলনশীল ধান ও তুলা, রোগ প্রতিরোধী ফসল, বড় মাছ, হরমোন, টিকা ও জিন থেরাপিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ঝুঁকিও আছে: জীববৈচিত্র্য বদলে যেতে পারে, ক্ষতিকর ভাইরাস তৈরি হতে পারে, দেশীয় জাত হারাতে পারে।

শব্দ

রিকম্বিনেন্ট DNA
জোড়া লাগিয়ে তৈরি নতুন DNA।
GMO
Genetically Modified Organism।
E. coli
ইনসুলিন তৈরিতে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া।
জিন থেরাপি
ত্রুটিপূর্ণ জিন ঠিক করে চিকিৎসা।

টেবিল

ব্যবহারের ক্ষেত্র

ক্ষেত্রউদাহরণ
কৃষিউচ্চফলনশীল ও লবণসহিষ্ণু ধান
প্রাণীবড় আকারের কার্প মাছ, বেশি দুধ
চিকিৎসাইনসুলিন, টিকা, জিন থেরাপি
গবেষণানতুন জীবকোষ সৃষ্টি

ভুল

  • সারা বছর ফলন বা নতুন জাত দেখলে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানো নয়।
  • এটি রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়, কমায় না।

টিপস

ঘ অংশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও ওষুধ তৈরি বেশি আসে। উদাহরণসহ দুই ভাগে লেখো।

  • জনক রিচার্ড ফাইনম্যান।
  • পদ্ধতি দুটি: টপ ডাউন ও বটম আপ।
  • পণ্য ছোট, হালকা ও মজবুত হয়।

উদাহরণ

হিসাব: ৫০ ন্যানোমিটার কত মিটার

  1. ১ ন্যানোমিটার = 10-9 মিটার।
  2. ৫০ ন্যানোমিটার = 50 × 10-9 মিটার।
  3. = 5 × 10-8 মিটার।

বিস্তারিত

ন্যানোটেকনোলজি হলো ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার মাপে কাজ করার বিজ্ঞান। ১ ন্যানোমিটার = 10-9 মিটার। রিচার্ড ফাইনম্যান ধারণাটি প্রথম দেন, তাই তাঁকে এর জনক বলা হয়।

দুটি পদ্ধতি আছে। টপ ডাউনে বড় জিনিস কেটে ছোট করা হয়, যেমন সিলিকন ওয়েফার থেকে চিপ। বটম আপে ছোট কণা জোড়া লাগিয়ে বড় জিনিস বানানো হয়।

খাদ্য প্যাকেজিং, প্রসাধনী, স্মার্ট ড্রাগ, হালকা গাড়ি, শক্ত খেলার সামগ্রী, ব্যাটারি ও ট্যানারির বর্জ্য পরিশোধনে এটি কাজে লাগে। পণ্য ছোট, হালকা, মজবুত ও টেকসই হয়। তবে খরচ বেশি এবং কিছু ন্যানো কণা ফুসফুস ও মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

শব্দ

ন্যানোমিটার
মিটারের একশ কোটি ভাগের এক ভাগ, 10-9 মিটার।
ন্যানো পার্টিকেল
১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার মাপের কণা।
টপ ডাউন
বড় থেকে ছোট বানানো।
বটম আপ
ছোট থেকে বড় বানানো।
স্মার্ট ড্রাগ
সরাসরি আক্রান্ত কোষে পৌঁছানো ওষুধ।

টেবিল

ব্যবহারের ক্ষেত্র

ক্ষেত্রউদাহরণ
খাদ্যপ্যাকেজিং ও স্বাদ বৃদ্ধি
চিকিৎসাস্মার্ট ড্রাগ, ন্যানো রোবট
প্রসাধনীসানস্ক্রিন, ক্রিম
খেলাধুলাটেনিস বল, গলফ বল
পরিবেশট্যানারি বর্জ্য পরিশোধন
কম্পিউটারছোট চিপ, বেশি গতি

ভুল

  • মাপ ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার, ২০০ বা ৪০০ নয়।
  • চিপ তৈরি টপ ডাউন, কারণ বড় ওয়েফার কেটে বানানো হয়।
  • ন্যানোর সব প্রভাব ভালো নয়, ঘ অংশে কুফলও লেখো।

টিপস

খ প্রশ্নে ছোট জিনিস দিয়ে বড় জিনিস বা আগামী বিশ্ব ন্যানোর বিশ্ব, এই দুটি বাক্য বারবার আসে।

  • কম্পিউটার ইথিকসের নির্দেশনা ১০টি।
  • হ্যাকিং, ফিশিং ও পাইরেসি অপরাধ।
  • উৎস না দিলে প্লেজিয়ারিজম হয়।

উদাহরণ

ঘটনা বিশ্লেষণ

  1. ঘটনা: রিপন ইন্টারনেটের প্রবন্ধ হুবহু জমা দিল।
  2. উৎস উল্লেখ করেনি।
  3. কাজটি প্লেজিয়ারিজম, যা অনৈতিক।
  4. নিজের ভাষায় লিখে উৎস দিলে সমাধান হয়।

বিস্তারিত

প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় ভালো-মন্দ মেনে চলাই নৈতিকতা। কম্পিউটার ইথিকস ইনস্টিটিউট ১৯৯২ সালে কম্পিউটার ব্যবহারের দশটি নির্দেশনা দেয়, যেমন অন্যের ক্ষতি না করা ও অনুমতি ছাড়া ফাইলে না ঢোকা।

অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে ঢোকা হ্যাকিং। ভুয়া বার্তায় তথ্য নেওয়া ফিশিং। অপ্রয়োজনীয় বার্তা পাঠানো স্প্যামিং। অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি করা পাইরেসি। অন্যের লেখা নিজের নামে দেওয়া প্লেজিয়ারিজম।

বাংলাদেশে ডিজিটাল অপরাধ দমনে ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হয়। ভালো নাগরিক তথ্যের উৎস উল্লেখ করেন, বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন এবং অন্যের গোপনীয়তা রক্ষা করেন।

শব্দ

হ্যাকিং
অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ।
ফিশিং
ফাঁদ পেতে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া।
স্প্যামিং
অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা বারবার পাঠানো।
পাইরেসি
অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি বা বিতরণ।
প্লেজিয়ারিজম
উৎস না বলে অন্যের লেখা ব্যবহার।

টেবিল

ঘটনা থেকে অপরাধ চেনা

ঘটনানাম
ব্যাংকের নামে ভুয়া ইমেইলফিশিং
উৎস ছাড়া অ্যাসাইনমেন্ট কপিপ্লেজিয়ারিজম
ক্র্যাক করা সফটওয়্যার বিক্রিপাইরেসি
বিজ্ঞাপনের হাজার ইমেইলস্প্যামিং

ভুল

  • পাইরেসি সফটওয়্যারের কপি, প্লেজিয়ারিজম লেখার কপি।
  • কম্পিউটার ইথিকসের নির্দেশনা ১০টি।

টিপস

গ প্রশ্নে অপরাধের নাম বলে সংজ্ঞা দাও, উদ্দীপকের ঘটনা মিলিয়ে দেখাও।