পাঠ ১ / ৫
ডেটা কমিউনিকেশন
এই পাঠের ভিডিও ও ক্লাস রেকর্ডিং শিগগির যুক্ত হবে।
ফাইল পাঠাতে কত সময় লাগবে
- ফাইলের আকার 1 MB ধরি, অর্থাৎ প্রায় 8,000,000 বিট।
- ব্যান্ডউইথ 2 Mbps = 2,000,000 বিট প্রতি সেকেন্ডে।
- সময় = 8,000,000 ÷ 2,000,000 = 4 সেকেন্ড।
ডেটা কমিউনিকেশন, মাধ্যম, নেটওয়ার্ক ও ক্লাউড

০/৫ পাঠ শেষ
পাঠ ১ / ৫
এই পাঠের ভিডিও ও ক্লাস রেকর্ডিং শিগগির যুক্ত হবে।
তরঙ্গ চলছে। স্যাম্পল কমিয়ে দেখো ডিজিটাল সংকেত কীভাবে আসল তরঙ্গ থেকে সরে যায়।
ডেটা কমিউনিকেশন হলো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা নির্ভুলভাবে পাঠানোর প্রক্রিয়া। এখানে পাঁচটি উপাদান একসঙ্গে কাজ করে: উৎস, প্রেরক, মাধ্যম, গ্রাহক ও গন্তব্য।
ব্যান্ডউইথ হলো প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডেটা পাঠানো যায় তার পরিমাপ। এর একক bps (bits per second)। গতি অনুযায়ী একে ন্যারো, ভয়েস ও ব্রড ব্যান্ডে ভাগ করা হয়।
ডেটা পাঠানোর ধরন তিনটি। অ্যাসিনক্রোনাসে প্রতিটি ক্যারেক্টার স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ আলাদা যায়, সিনক্রোনাসে ডেটা ব্লক আকারে যায়, আর আইসোক্রোনাসে নির্দিষ্ট হারে অবিরাম যায়, যা ভিডিওর জন্য উপযোগী।
| ধরন | গতি | ব্যবহার |
|---|---|---|
| ন্যারো ব্যান্ড | 45–300 bps | টেলিগ্রাফ |
| ভয়েস ব্যান্ড | 9600 bps পর্যন্ত | টেলিফোন লাইন |
| ব্রড ব্যান্ড | 1 Mbps বা তার বেশি | ফাইবার, স্যাটেলাইট |
সময় বের করার অঙ্কে আগে সব মান বিটে এনে তারপর ভাগ করো।
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড দুইভাবে ভাগ করা হয়। দিক অনুযায়ী সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল ডুপ্লেক্স। প্রাপকের সংখ্যা অনুযায়ী ইউনিকাস্ট, ব্রডকাস্ট ও মাল্টিকাস্ট।
সিমপ্লেক্সে ডেটা সবসময় একদিকে যায়। হাফ ডুপ্লেক্সে দুই দিকেই যায়, তবে একবারে এক দিকে। ফুল ডুপ্লেক্সে একই সময়ে দুই দিকে যায়।
ইউনিকাস্টে একজন একজনকে পাঠায়, ব্রডকাস্টে সবাইকে পাঠায়, আর মাল্টিকাস্টে একটি নির্দিষ্ট দলকে পাঠায়।
| মোড | দিক | উদাহরণ |
|---|---|---|
| সিমপ্লেক্স | একমুখী | রেডিও, টিভি সম্প্রচার, কিবোর্ড |
| হাফ ডুপ্লেক্স | পালা করে দুই দিক | ওয়াকিটকি |
| ফুল ডুপ্লেক্স | একসঙ্গে দুই দিক | মোবাইল ফোন |
| ইউনিকাস্ট | একজন থেকে একজন | ব্যক্তিগত ফোন কল |
| মাল্টিকাস্ট | একজন থেকে নির্দিষ্ট দল | ভিডিও কনফারেন্স |
| ব্রডকাস্ট | একজন থেকে সবাই | রেডিও সম্প্রচার |
প্রশ্নে একসঙ্গে শব্দটি আছে কি না দেখো। সেটিই হাফ ও ফুল ডুপ্লেক্সের মূল পার্থক্য।
ডেটা চলার পথকে মাধ্যম বলে। এটি দুই ধরনের: তার মাধ্যম ও তারবিহীন মাধ্যম।
টুইস্টেড পেয়ারে দুটি তামার তার পেঁচানো থাকে, যা হস্তক্ষেপ কমায়। কো-অ্যাক্সিয়ালে মাঝের পরিবাহীর চারপাশে ঢাল থাকে। ফাইবার অপটিকে কাচের সরু তন্তুর ভেতর দিয়ে আলো চলে।
ফাইবার অপটিকের তিনটি অংশ: কোর, ক্ল্যাডিং ও জ্যাকেট। কোরের প্রতিসরাঙ্ক ক্ল্যাডিংয়ের চেয়ে বেশি, তাই আলো অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনে ভেতরেই থেকে যায়।
তারবিহীন যোগাযোগে রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ ও ইনফ্রারেড ব্যবহৃত হয়। মোবাইল ফোনের প্রজন্ম ১G থেকে ৫G পর্যন্ত এগিয়েছে, প্রতিটিতে গতি ও সুবিধা বেড়েছে।
| প্রযুক্তি | IEEE মান | পরিসর |
|---|---|---|
| ব্লুটুথ | 802.15 | স্বল্প, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক |
| ওয়াই-ফাই | 802.11 | ঘর, অফিস, ক্যাম্পাস |
| ওয়াইম্যাক্স | 802.16 | বড় এলাকা, শহর |
তিনটি IEEE মান মুখস্থ রাখো: ওয়াই-ফাই 802.11, ব্লুটুথ 802.15, ওয়াইম্যাক্স 802.16।
দুই বা ততোধিক কম্পিউটার যুক্ত হয়ে তথ্য ও সম্পদ ভাগ করলে তাকে নেটওয়ার্ক বলে। আকার অনুযায়ী এটি চার ধরনের: PAN, LAN, MAN ও WAN।
টপোলজি হলো নেটওয়ার্কের নকশা। বাসে সব কম্পিউটার একটি মূল তারে যুক্ত। রিংয়ে প্রতিটি পাশের দুটির সঙ্গে যুক্ত। স্টারে সবাই একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচে যুক্ত। মেশে প্রতিটি অন্য সবগুলোর সঙ্গে যুক্ত।
নেটওয়ার্ক ডিভাইসের মধ্যে হাব সব পোর্টে ডেটা পাঠায়, সুইচ শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে পাঠায়, আর রাউটার ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পথ ঠিক করে।
| টপোলজি | সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|---|
| বাস | কম তার, সস্তা | মূল তার কাটলে নেটওয়ার্ক বন্ধ |
| রিং | সমান সুযোগ | একটি নষ্ট হলে সমস্যা হয় |
| স্টার | সহজে সমস্যা ধরা যায় | হাব নষ্ট হলে সব বন্ধ |
| মেশ | খুব নির্ভরযোগ্য | সংযোগ ও খরচ বেশি |
উপরের ল্যাবে নোড নষ্ট করে দেখো, কোন টপোলজি কখন ভেঙে পড়ে। তুলনার প্রশ্নে এটি মনে থাকবে।
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ ও সফটওয়্যার ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করা। নিজের কম্পিউটারে না রেখে দূরের ডেটা সেন্টারে সবকিছু থাকে।
সেবা তিন স্তরের। IaaS দেয় ভার্চুয়াল সার্ভার ও স্টোরেজ, PaaS দেয় অ্যাপ বানানোর প্ল্যাটফর্ম, আর SaaS দেয় সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যার।
ধরন অনুযায়ী ক্লাউড হতে পারে পাবলিক, প্রাইভেট বা হাইব্রিড। এর সুবিধা হলো কম প্রাথমিক খরচ ও সহজে বাড়ানো যাওয়া। অসুবিধা হলো ইন্টারনেট নির্ভরতা ও ডেটার গোপনীয়তার ঝুঁকি।
| মডেল | কী পাবে | উদাহরণ |
|---|---|---|
| IaaS | ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ | Amazon EC2 |
| PaaS | অ্যাপ তৈরি ও চালানোর পরিবেশ | Google App Engine |
| SaaS | তৈরি সফটওয়্যার | Gmail, Google Docs |
ব্যবহার অনুযায়ী খরচ এবং যেকোনো জায়গা থেকে ব্যবহার, ক্লাউডের এই দুটি বৈশিষ্ট্য প্রায় সব উত্তরে কাজে লাগে।